আনন্দ বাংলা
আনন্দ বাংলা
আপডেট : বুধবার ১৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ
সংগৃহীত
কার্তিক-অগ্রহায়ণ পেরিয়ে পৌষে শীতের আগমন ঘটার আগেই আশ্বিনের শুরুতে নীলফামারীর ডোমারে দেখা মিলেছে ঘন কুয়াশার। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এতে দূরের গাছপালা, ঘরবাড়ি ও সড়কপথ স্পষ্ট দেখা যায়নি।
ভোরের মাঠ-প্রান্তর ও ফসলি জমি ঢেকে যায় সাদা কুয়াশার চাদরে। কুয়াশায় প্রকৃতিতে তৈরি হয় অন্যরকম আবহ। একই সঙ্গে কমে যায় সড়কের দৃশ্যমানতা। ভোরে কুয়াশার ঘনত্ব বেশি থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রাতেও এর প্রভাব পড়ে।
বিশেষ করে সড়কে যানবাহন চলাচলে দেখা দেয় বাড়তি সতর্কতা। এ সময় বিভিন্ন যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করতে দেখা যায়। কয়েক মিটার দূরের দৃশ্যও কুয়াশার কারণে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল না।
স্থানীয়রা জানান, কয়েকদিন ধরে রাতের দিকে তাপমাত্রা কিছুটা কম অনুভূত হচ্ছিল। তবে আশ্বিনের শুরুতেই এমন ঘন কুয়াশা দেখা যাবে, তা অনেকের কাছেই অপ্রত্যাশিত ছিল। সকালে কুয়াশা কেটে যাওয়ার আগ পর্যন্ত চারপাশে শীতের আমেজের মতো আবহ তৈরি হয়।
আবহাওয়াবিদদের মতে, রাতের তাপমাত্রার তারতম্য এবং বাতাসে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতির কারণে ভোরে এ ধরনের কুয়াশা বা আবছা আবরণ তৈরি হতে পারে। দিনের তুলনায় রাত ও ভোরে ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি বাতাস দ্রুত ঠান্ডা হয়ে গেলে বাতাসের জলীয়বাষ্প ক্ষুদ্র জলকণায় পরিণত হয়। এসব জলকণা বাতাসে ভেসে থাকায় কুয়াশার মতো আবহ তৈরি হয়।
আশ্বিনে এমন কুয়াশা দেখা দেওয়ার বিষয়ে সৈয়দপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হাকিম বলেন, ‘তাপমাত্রার তারতম্য ও বাতাসে থাকা জলীয়বাষ্পের কারণে ভোরে এ ধরনের কুয়াশা বা আবছা আবরণ তৈরি হতে পারে। দিনের তুলনায় রাত ও ভোরে ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি বাতাস দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যায়। এ সময় বাতাসে থাকা জলীয়বাষ্প ক্ষুদ্র জলকণায় পরিণত হয়ে বাতাসে ভেসে থাকে। ফলে ভোরের দিকে ঘাস, ফসলের মাঠ ও আশপাশের এলাকায় কুয়াশার মতো আবহ তৈরি হয়।’
তিনি বলেন, ‘এ সময় প্রকৃতপক্ষে কুয়াশা হওয়ার কথা নয়।’
বুধবার সকাল ৬টায় সৈয়দপুর আবহাওয়া অফিসে সর্বনিম্ন ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
কুয়াশায় ঢাকা ডোমারের ভোরে মাঠ-প্রান্তর ও ফসলি জমিতে তৈরি হয়েছে মনোরম দৃশ্য। তবে সড়কে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় যানবাহনের চালকদের সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছেন স্থানীয়রা।