আনন্দ বাংলা
আনন্দ বাংলা
আপডেট : মঙ্গলবার ২৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ
সংগৃহীত
উয়েফা ও কনকাকাফের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সদস্য দেশগুলোকে ফিফার তহবিল থেকে আরও বেশি অর্থ দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে রাজি হয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনো। তবে সদস্যপ্রতি ১ কোটি ডলার করে দেওয়ার নির্দিষ্ট প্রস্তাবে এখনো কোনো প্রতিশ্রুতি দেননি তিনি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ফিফার ছয় কনফেডারেশনের সভাপতিদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে ইনফান্তিনো এ অবস্থানের কথা জানান।
চলতি মাসের শুরুতে উয়েফা সভাপতি আলেকজান্ডার সেফেরিন ও কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্টালিয়ানি যৌথ চিঠিতে ২০২৭-৩০ বাণিজ্যিক চক্রে ফিফার ২১১টি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনকে অতিরিক্ত অর্থ দেওয়ার দাবি জানান। তাদের প্রস্তাব ছিল, প্রতিটি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনকে অন্তত ১ কোটি ডলার করে দেওয়া হোক।
পরবর্তী সময়ে এ দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে চিঠি দেন এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফাও।
ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, আগামী ১৫ অক্টোবর ফিফা কাউন্সিলের বৈঠকে সদস্য দেশগুলোর জন্য অতিরিক্ত তহবিল বরাদ্দের প্রস্তাবগুলো নিয়ে আলোচনা হবে। এর আগে ফিফার মহাসচিব মাতিয়াস গ্রাফস্ট্রম সব প্রস্তাব একত্র করে একটি সমন্বিত মূল্যায়ন তৈরি করবেন।
চিঠিতে ইনফান্তিনো বলেন, তিনি এখনই কোনো নির্দিষ্ট অঙ্কের প্রতিশ্রুতি দিতে চান না। তবে ফিফার যথাযথ শাসনতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির আওতায় যতটা সম্ভব অতিরিক্ত তহবিল ছাড় করা যায়, তিনি সেটিকে সমর্থন করবেন।
তিনি আরও বলেন, একটি নির্দিষ্ট অঙ্ককে কেন্দ্র করে আলোচনা শুরু করা সম্ভব হলেও সেটিকে বৈশ্বিক নীতি হিসেবে চূড়ান্ত করা যায় না। তাই সব প্রস্তাব একত্র করে সমন্বিত মূল্যায়ন তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে ইনফান্তিনো তাঁর বিতর্কিত ‘ফিফা ফরওয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ (এফএফই) প্রকল্পের পক্ষেও অবস্থান তুলে ধরেছেন।
এর আগে বাতিল হওয়া এ প্রকল্পের প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, পরবর্তী চার বছরের বাণিজ্যিক চক্রে সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলো অতিরিক্ত ২ কোটি ডলার পাওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত ৫৩ দিনের সময়সীমার মধ্যে চুক্তিতে স্বাক্ষর করলে আরও ২ কোটি ডলার পাওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইনফান্তিনো বলেন, সম্প্রতি প্রত্যাহার করা বাণিজ্যিক প্রস্তাবটির উদ্দেশ্য ছিল ফুটবলে ফিফার বিনিয়োগ বাড়ানো। তবে এটি বিদ্যমান সম্পদ থেকে দায়িত্বশীলভাবে দেওয়া সহযোগিতার বিকল্প হিসেবে তৈরি করা হয়নি।
এখন অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের বিষয়ে ফিফা কাউন্সিলের ১৫ অক্টোবরের বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত আসে, সেদিকেই নজর থাকবে সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোর।