আনন্দ বাংলা
আনন্দ বাংলা
আপডেট : শুক্রবার ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৯ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ
সংগৃহীত
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় ২০ ঘণ্টা পার হলেও নিখোঁজ চারজনের সন্ধান মেলেনি। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় দিনের মতো ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ডের যৌথ উদ্ধার অভিযান চলছে।
নিখোঁজরা হলেন—হেলাল উদ্দিন (৫৫), সজীব (২৪), সামিয়া (১৭) এবং পাঁচ বছর বয়সী শিশু সামিন। তারা সবাই একই পরিবারের সদস্য এবং কুমিল্লার হোমনা উপজেলার বাসিন্দা।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন শুক্রবার সকালে বলেন, ঘন অন্ধকারের কারণে বৃহস্পতিবার রাতে উদ্ধার অভিযান স্থগিত রাখা হয়েছিল। শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল আবারও উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। বর্তমানে তিনজন ডুবুরি নদীতে নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ করছেন। তবে এখন পর্যন্ত কারও সন্ধান পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা থেকে ১৪ জন যাত্রী গরু-ছাগল ও উপহারসামগ্রী নিয়ে নারায়ণগঞ্জের বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হাড়িয়া এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে ট্রলারটি মেঘনা নদীর সোনাময়ী এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় পাশে থাকা আমান কোম্পানির একটি ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নয়জনকে জীবিত উদ্ধার করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে রায়েসা বেগম (৪০) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাকি চারজন নদীতে নিখোঁজ হন।
সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাত জানান, নিখোঁজদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি কোস্টগার্ডের দুটি দলও ঘটনাস্থলে যৌথভাবে কাজ করছে।