আনন্দ বাংলা |
আনন্দ বাংলা |
আপডেট : বুধবার ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৯ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ
সংগৃহীত
সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করে ভবিষ্যতে তা কৌশলগত অংশীদারত্বে উন্নীত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে সৌদি আরবের ৯৬তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সৌদি আরবের জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশটির সরকার ও জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সম্পর্ক শুধু রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পরিসরে সীমাবদ্ধ নয়। ধর্মীয় বন্ধন, ঐতিহাসিক যোগাযোগ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ভিত্তিতে এ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। সময়ের সঙ্গে বাণিজ্য, জ্বালানি, অবকাঠামো, শিক্ষা ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে দুই দেশের সহযোগিতা বিস্তৃত হয়েছে।
সৌদি আরবে বসবাস ও কর্মরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি দুই দেশের জনগণের সম্পর্ককে আরও গভীর করেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী প্রবাসী বাংলাদেশিদের সহযোগিতা ও যত্ন নেওয়ার জন্য সৌদি সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সৌদি আরবকে মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে মর্যাদা দেয়। জাতিসংঘ ও ওআইসিসহ বিভিন্ন বহুপাক্ষিক প্ল্যাটফর্মে দুই দেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। আঞ্চলিক শান্তি, সংঘাত প্রশমন ও বৈশ্বিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়ও দুই দেশের সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।
ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, সৌদি আরবের পুঁজি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বাজার, উৎপাদন সক্ষমতা ও দক্ষ জনশক্তির সমন্বয় হলে দুই দেশের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতে পারে।
জ্বালানি, বন্দর, অবকাঠামো, খাদ্য নিরাপত্তা ও লজিস্টিকসসহ বিভিন্ন খাতে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বাংলাদেশকে সৌদি আরবের দেওয়া উন্নয়ন সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ অংশীদারত্বে রূপ দিতে বাংলাদেশ সৌদি আরবের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে প্রস্তুত।
বক্তব্যের শেষে সৌদি আরবের সরকার ও জনগণের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তিনি।