আনন্দ বাংলা
আনন্দ বাংলা
আপডেট : শনিবার ১২ই সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৯ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ
সংগৃহীত
সারাদিনের ব্যস্ততা, কাজের চাপ, পারিবারিক নানা দায়িত্ব কিংবা মানসিক দুশ্চিন্তার কারণে অনেকেরই রাতে ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হয়ে যায়। বিছানায় যাওয়ার পরও দীর্ঘ সময় ঘুম না আসা, বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া কিংবা সকালে উঠে ক্লান্ত লাগার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
সব সময় ঘুমের সমস্যার কারণ পুরোপুরি এড়িয়ে চলা সম্ভব না হলেও দৈনন্দিন জীবনে কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করলে ঘুমের মান উন্নত করা সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, নিয়মিত ঘুমের সময়সূচি, উপযুক্ত পরিবেশ এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ—ভালো ঘুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ভালো ঘুমের জন্য প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং একই সময়ে ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করা জরুরি। ছুটির দিনেও এই রুটিন যতটা সম্ভব ধরে রাখা ভালো।
একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সাধারণত রাতে অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। তবে ব্যক্তিভেদে ঘুমের প্রয়োজন কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।
বিছানায় যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় ঘুম না এলে জোর করে শুয়ে না থেকে উঠে শান্ত কোনো কাজ করা যেতে পারে। ঘুমের অনুভূতি এলে আবার বিছানায় ফিরে আসা ভালো। তবে প্রতিদিন সকালে ওঠার সময়টি নির্দিষ্ট রাখার চেষ্টা করা উচিত।
ঘুমানোর ঠিক আগে অতিরিক্ত খাবার খেলে পেটে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ভারী বা অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার ঘুমের আগে এড়িয়ে চলা ভালো।
চা, কফি এবং অন্যান্য ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় অনেকের ঘুমে সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই সন্ধ্যার পর ক্যাফেইন গ্রহণ কমিয়ে দেওয়া উপকারী হতে পারে। ধূমপানও ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দে প্রভাব ফেলতে পারে।
অ্যালকোহল শুরুতে তন্দ্রা আনলেও পরবর্তী সময়ে ঘুমের ধারাবাহিকতা নষ্ট করতে পারে।
শোবার ঘর শান্ত, অন্ধকার ও আরামদায়ক তাপমাত্রায় রাখার চেষ্টা করুন। বাইরের আলো বেশি হলে পর্দা ব্যবহার করা যেতে পারে।
ঘুমানোর আগে দীর্ঘ সময় মোবাইল ফোন, কম্পিউটার কিংবা টেলিভিশনের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকাও কমানো ভালো। বিশেষ করে বিছানায় যাওয়ার আগে কাজ বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত সময় কাটালে ঘুমের প্রস্তুতি ব্যাহত হতে পারে।
হালকা গরম পানিতে গোসল, ধীরে ধীরে শ্বাস নেওয়া কিংবা কিছু সময় মেডিটেশনের মতো শান্ত করার অভ্যাস ঘুমের আগে মনকে প্রস্তুত করতে সহায়তা করতে পারে।
দিনের বেলায় দীর্ঘ সময় ঘুমালে রাতে ঘুম আসতে দেরি হতে পারে। তাই দিনের ঘুম প্রয়োজন হলে তা সংক্ষিপ্ত রাখা ভালো এবং বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে দীর্ঘ সময় ঘুমানো এড়িয়ে চলা উচিত।
তবে রাতের শিফটে কাজ করেন এমন ব্যক্তিদের ঘুমের সময়সূচি আলাদা হতে পারে। তাদের কাজের সময় ও বিশ্রামের সময় অনুযায়ী ঘুমের রুটিন তৈরি করা প্রয়োজন।
দিনের বেলায় নিয়মিত হাঁটাহাঁটি ও শরীরচর্চা সামগ্রিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ঘুমের জন্যও উপকারী হতে পারে। তবে ঘুমাতে যাওয়ার একেবারে আগে অতিরিক্ত ভারী ব্যায়াম করলে কারও কারও